ঢাকা      মঙ্গলবার ২০, এপ্রিল ২০২১ - ৭, বৈশাখ, ১৪২৮ - হিজরী

আবুল হাসনাত সোহেলের বিশ্লেষণ

মানি লন্ডারিং কি ?

মানি লন্ডারিং কি ? 
মানি লন্ডারিং বা অর্থশোধন (ইংরেজি: Money laundering) হল একটি অবৈধ অর্থনৈতিক কার্যক্রম। যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অবৈধ সম্পদের উৎস গোপন করার উদ্দেশ্যে সেই সম্পদের আংশিক বা পূর্ণ অংশ রুপান্তর বা এমন কোন বৈধ জায়গায় বিনিয়োগ করা হয় যাতে করে সেই বিনিয়োগকৃত সম্পদ থেকে অর্জিত আয় বৈধ বলে মনে হয়, তাকে মানি লন্ডারিং বলা হয়। অনেক ক্ষেত্রে ব্যাংকের সক্রিয় সহায়তায় মানি লন্ডারিং কার্যক্রম চলে। মানি লন্ডারিং একটি ফৌজদারী অপরাধ।
ফৌজদারী অপরাধ বলতে সেসব অপরাধ বোঝায় যেগুলো দেশে প্রচলিত ফৌজদারী আইন অনুযায়ী বিচারযোগ্য এবং শাস্তিযোগ্য। এই অপরাধের বিচার হয় ফৌজদারী আদালতে।
বাংলাদেশ সরকার ২০০২ সালে মানি লন্ডারিং আইন প্রণয়ন ও প্রবর্তন করে যার নাম "মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০০২ "। পরবর্তীতে, বাংলাদেশে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ সংক্রান্ত বিদ্যমান আইন ও অধ্যাদেশ রহিত করে "মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২" নামে নতুন একটি আইন পাশ হয়। যেহেতু মানি লন্ডারিং কার্যক্রমে মুদ্রা পাচার জড়িত এবং এতে ব্যাংকসমূহের সহায়তা প্রয়োজন, তাই এই আইন প্রয়োগের দায়িত্ব কেন্দ্রীয় ব্যাংক অর্থাৎ বাংলাদেশ ব্যাংককে দেয়া হয়েছে। উক্ত আইনে ২৮টি সম্পৃক্ত অপরাধের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। আর্থ ও সম্পত্তি অর্জন বা স্থানান্তরের উদ্দেশে উল্লেখিত সম্পৃক্ত অপরাধ সংগঠন বা এর সাথে জড়িত কার্যক্রম মানিলন্ডারিং হিসেবে বিবেচিত হয়। এই আইনে প্রদত্ত ক্ষমতা ও কার্যাবলী সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট নামে একটি পৃথক কেন্দ্রীয় সংস্থা প্রতিষ্ঠা করা হয় যেটি বাংলাদেশ ব্যাংক দ্বারা পরিচালিত হয়।উক্ত আইনে, মানিলন্ডারিং অপরাধের শাস্তি রাখা হয়েছে; 
(১) বেক্তির ক্ষেত্রেঃ অন্যূন ৪ (চার) বছর এবং অনধিক ১২ (বার) বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির দ্বিগুন মূল্যের সমপরিমাণ বা ১০ (দশ) লক্ষ টাকা পর্যন্ত, যাহা অধিক, অর্থদণ্ড এবং (২) প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেঃ অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির মূল্যের অন্যূন দ্বিগুণ অথবা ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা, যাহা অধিক হয়, অর্থদন্ড এবং উক্ত প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন বাতিল করা।
তথ্যসুত্র ঃ ইন্টারনেট
আচ্ছা ভাই, ধরুন evaly যদি কোন কারনে দন্ডিত হয়, তাহলে কি ২০ লাখ টাকা অর্থদন্ড আর ৫০ হাজার আর দুই গুন মানে আরো ১ লাখ, সর্বোমোট ২১ লাখ টাকায় সব দায় থেকে মুক্তি পেয়ে যাবে? (আমি ব্যাক্তিগত ভাবে মনে করি না যে ইভ্যালি কোন বেআইনি কাজের সাথে জড়িত)
তাহলে গ্রাহকদের যে কোটি কোটি টাকা জমা আছে ভার্চুয়াল ওয়ালেটে্‌ তার কি হবে? 
যাদের টাকা ক্যাশব্যাক এর না, টাকা পন্য কেনার জন্য জমা দিয়েছে, এখনও পন্য পায়নি, ক্যাশব্যাক তো পরের কথা, তাদের কি হবে? 
এদের দায় কে নেবে? 
কেউ কি একটু বলবেন?

 

 

লেখকঃ আবুল হাসনাত সোহেল

সংবাদটি শেয়ার করুন:

 


বাংলাদেশ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আদালতের স্থগিতাদেশ না থাকা সত্ত্বেও নিয়োগ ঝুলে আছে

আদালতের স্থগিতাদেশ না থাকা সত্ত্বেও নিয়োগ ঝুলে আছে

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) নিয়োগবিধিতে বলা আছে যে উপসহকারী প্রকৌশলী পদের…

আরো সংবাদ
























জনপ্রিয় বিষয় সমূহ: